Just another WordPress.com site

Latest

online and it solution

Online and IT solution

◘সার্ভার হ্যাক করে ইন্টারনেট স্পিড আপ করুন পর্ব ১◘

টিউন করেছেন : Anisur Rahman

আমি কথা দিলাম এই ট্রিকস টা করে সবাই থ হয়ে তাকিয়ে থাকবেন।নিজেই দেখে নিন তাহলে।হেকিং করা আমি খারাপ কিছু মনে করি না যদি সেটা যদি হয় ভালোর জন্য।এই টপিক নিয়ে আমি অনেক গুলো পোস্ট দিবো, সবাই নিয়মিত থাকবেন। আরেকটা কথা আমি সিউর দিয়ে বলতে পারি এমন ট্রিকস আগে কথাও দেখেন নি।তবে সাইটে কিছু মোহা গিয়ানি লোক আছে তাদের কথা বাদ।আমার মত নরমাল  মানুষ হলে উপকার হবেন।
আজকে আমরা ইন্টারনের এর সার্ভার হেক করে আমাদের ইন্টারনেটের স্পিড বারাবো।এত গুলো টাকা খরচ করেন ইন্টারনেটের জন্য সেটা যদি পেয়সা উসুল না হয় কনো মজা আছে? আমার কথা হলো টাকা যখন দিবই তাহলে এচ্ছা মত আগে মজা নিয়া নেই।হাহাহাহহা.।কি বলেন?খুব সহজে কাজটা করা যায়।
_____________________________________________________
এক নজরে আগের ট্রিকস গুলো দেখে নিন যারা মিস করেছেন
“Kaspersky 2010 Lifetime হ্যাকিং!! এক্কেবারে মাগনা”
কম্পিউটারের ড্রাইভার হারিয়ে গেছে?চিন্তার কিছু নাই।১মিনিটে সমাধান
_____________________________________________________

১। run এ ক্লিক করে regedit টাইপ করে enter দিন।

২। এখানে যান
HKEY_CURRENT_USER\Software\microsoft\Windows\CurrentVersion\InternetSettings

৩। ডান পাশের সাদা জায়গায় রাইট ক্লিক করে নিউ DWORD Value নিন সেটার নাম দিন MaxConnectionsPerServer
এখন এটা ডাবল ক্লিক করে অপেন করে Hexadecimal ক্লিক করে value data জায়গায় 000000a দিন OK দিয়ে বের হয়ে আসুন।

৪। আবার ডান পাশের সাদা জায়গায় রাইট ক্লিক করে নিউ DWORD Value নিন সেটার নাম দিন MaxConnectionsPer1_0Server
এখন এটা ডাবল ক্লিক করে অপেন করে Hexadecimal ক্লিক করে value data জায়গায় 0000000a দিন OK দিয়ে বের হয়ে আসুন।

৫। আপনার ব্রাউসার বন্ধ করে আবার অন করুন অথবা পিসি রিস্টার্ট দিন।

৬। এখন নিচে কমেন্টস দিন কেমন লাগলো

টিউন করেছেন : Anisur Rahman

আপনি কী একজন ব্লগার ? সবাই ভাল ব্লগার হতে চাই । ব্লগ থেকে আয় করতে হলে আপনাকে কিছু কঠিন নিয়ম মানতে হতে হবে । যেমন আপনার সাইটের ভিজিটর বাড়াতে হবে ।

ব্লগতৈরির পরে আপনাকে কী করতে হবে ?

  প্রথম কাজ হল ভাল কন্টেন্ট যোগ করা ।

  ব্লগ টি সুন্দর করা বা থিম অথবা টেম্পলেট সুন্দর করা।

  লেখার মধ্যে হালকা রং এর লেখা ও ব্যাকগ্রাউন্ড গাঢ় এমন রং ব্যবহার করুন । কারন এটাই বেশি ব্যবহারিত হয়

  আর আয় করার জন্য আপনার ভিজিটরের প্রশ্নের উত্তর দিন ।

আপনার সাইট থেকে কী ভাবে আয় করবেন ?

  আপনার সাইটে অ্যাড দিয়ে । এটা সব চেয়ে জনপ্রিয় ।

  আপনার সাইটকে ই – স্টোর হিসাবে ব্যবহার করে ।

  ই বুক বিক্রয় করে । এটা ebay.com থেকে পাওয়া যায় ।

  আরো অনেক পদ্ধতী আছে ।

ভাল ব্লগার হতে কী কীপ্রয়োজন ?

  প্রথমেই দরকার আপনি কী নিয়ে ব্লগে লিখবেন ।

  যা নিয়ে ব্লগ লিখবেন তার জনপ্রিয়তা কেমন ।

  আপনার সেই বিষয়ের উপর অভিঞ্জতা কত টুকু ।

  সেটা নিয়ে কত জন সার্চ করে ।

  আপনার এই বিষয়ে অনেক ধারনা থাকতে হবে , যে বিষয় নিয়ে লিখবেন ।

  ব্লগে সব সময় ভেবে চিন্তে লিখবেন ।

  আপনার ব্লগের গতি বেশি করার চেষ্টা করবেন ।

  অন্যের লেখা কপি করবেন না ।

  কপি করলেও তার আসল ঠিকানা টা দিন ।

  আপনার ভাল ব্লগার হতে হলে আপনাকে প্রচারনাও চালাতে হবে ।

টিউন করেছেন : Anisur Rahman|

এখানে আমরা যারা উইন্ডোজ ব্যাবহার করি তাদের অনেকেই কম গতিসম্পন্ন কম্পিউটার ব্যাবহার করে থাকি। উইন্ডোজে কাজ করার সময় র‌্যামের কিছুটা অংশ পেইজ ফাইল হিসেবে জমা হয়ে থাকে ফলে কম্পিউটারের গতিও আরো কমে যায়। কিন্তু আমরা চাইলে এই পেইজ ফাইলগুলো ডিলিট করে পিসির গতি বাড়াতে পারি। এই কাজ করতে হলে আপনাকে নীচের পদ্ধতি স্ক্রীণশটসহ অনুসরণ করতে হবে।

প্রথমেই কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে এডমিনিস্ট্র্যাটিভ টুলে যেতে হবে।

তারপর সেখান থেকে Local Security Policy তে যেতে হবে।

Local Security Policy তে ক্লিক করলে আরেকটা পপ আপ উইন্ডো খুলবে। সেখান থেকে Local Policies এ যেতে হবে।

এরপর সেখান থেকে Security Options এ যেতে হবে।

একদম নিচের দিকে একটা লিখা দেখতে পাবেন যে shutdown: clear virtual memory এখানে তা disable করা থাকবে।

আপনার পেনড্রাইভকে বুটেবল করুন একদম সহজ উপায়ে….

আমরা সাধারণত উইন্ডোজ ইন্সটল দিয়ে থাকি সিডি দিয়ে। এতে করে বেশ সময় লেগে যায়। কিন্তু আমরা যদি পেনড্রাইভ দিয়ে বুট করে উইন্ডোজ ইন্সটল দেই তাইলে আরো কম সময়ে আপনি উইন্ডোজ ইন্সটল দিতে পারবেন। এজন্য আপনাকে আপনার পেনড্রাইভকে প্রথমেই বুটেবল করে দিতে হবে। সেজন্য আপনি নীচের পদ্ধতি অনুসরণ করুনঃ

* প্রথমে পেন-ড্রাইভটা NTFS এ ফরম্যাট করুন ।
এজন্য আপনি যদি উইন্ডোজ সেভেন ব্যাবহার করেন তাইলে শুধু ফরম্যাট দেয়ার সময় ঐখানে FAT32 এর বদলে NTFS দিয়ে ফরম্যাট করুন। ব্যাস কাজ শেষ।

* আপনার ড্রাইভে উইন্ডোস ৭ এর ডিস্ক ঢুকান ।

* Programs থেকে Accesories এ যান । Command Prompt এ রাইট বাটন ক্লিক করে Run As Administrator হিসেবে চালান ।

* কমান্ড দিনঃ

h:
( এখানে আপনার যে ড্রাইভে উইন্ডোসের ডিস্ক ঢুকিয়েছেন তার ড্রাইভ লেটার দিন )

cd h:\boot

* ধরি পেন-ড্রাইভের ড্রাইভ লেটার J: , নীচের কমান্ড দিনঃ

bootsect /nt60 J:

এখন আপনি আপনার ডিভিডি সম্পূর্ণ কপি করে পেনড্রাইভে পেষ্ট করেন। আপনার কাজ শেষ। এখন আপনি আপনার পিসিতে পেনড্রাইভ দিয়ে উইন্ডোজ সেটাপ দিতে পারবেন।

আপনি তাতে ক্লিক করলে একটা পপ আপ উইন্ডো আসবে এবং সেখানে আপনি enable করে পিসি রিস্টার্ট করে দিতে হবে। এরপর আপনি নিজেই পার্থক্যটা বুঝে নিন।

এই লিখাটি আগে আমার নিজস্ব ব্লগে প্রকাশিত হয়েছিল

১ সেকেন্ডেই চালু করুন আপনার পছন্দের প্রোগ্রামটি

টিউন করেছেন : Anisur Rahman

আপনি চাইলেই ১ সেকেন্ডের মধ্যে কি-বোর্ডের মাধ্যমে চালাতে পারবেন আপনার প্রিয় প্রোগ্রামটি। এ জন্য প্রথমে আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে। আপনি আপনার প্রিয় প্রোগামটির একটি সর্টকাট ডেক্সটপে করে নিন।এ জন্য আপনি  টাস্কবারের start menu তে গিয়ে আপনার প্রিয় প্রোগ্রামটির উপর মাউস নিয়ে রাইট ক্লিক করে Desktop (create shortcut) এ ক্লিক করুন। এবার দেখুন আপনার ডেক্সটপে এটি শর্টকাট তৈরী হয়েছে।

এখন আপনি ডেক্সটপে তৈরীকৃত এর উপর রাইট ক্লিক করে properties এ যান। এখন shortcut tab এ ক্লিক করুন। এখন দেখুন shortcut key এর জায়গায় none দেয়া আছে। আপনি ঐখানে কার্সর রেখে কিবোর্ড থেকে যে কোন একটি বর্ন চাপুন। আপনি যদি “A”  চাপেন তবে দেখা যাবে Ctrl+Alt+A। এখন আপনি ok দেন।

এখন Desktop এ এসে Ctrl+Alt+A চাপুন  (যদি আপনি A দিয়ে থাকেন)। দেখুন চালূ হয়ে গেছে আপনার পছন্দের প্রোগ্রাম।

ধন্যবাদ সবাইকে। হাতে সময় কম ছিল তাই একটু তাড়াতাড়ি লিখেছি। ভুল হলে ক্ষমা করে দিয়েন।

কিভাবে Hard Disk Partition এর জায়গা বাড়াবেন?

টিউন করেছেন : Anisur Rahman

আমরা কম বেশি সবাই একটা সাধারণ সমস্যার সম্মুখিন হয়, আর তা হল Hard Disk Partition এর জায়াগা নিয়ে। ধরূন আপনার কম্পিউটারে C: Drive-এ ১৫ জিবি জায়গা বরাদ্দ আছে। এবং এইখানে আপনার Windows file আছে। হঠাৎ করে আপনার ঐ C: ড্রাইভের জায়গা শেষ হয়ে গেল।যার কারণে আপনি নতুন কোন প্রোগ্রাম ইন্সটল করতে পারছেন না যতক্ষন না আপনি ঐ ড্রাইভের জায়গা খালি করছেন। কিন্তু আপনার সব ফাইলই অনেক প্রয়োজনিয় এবং আনইন্সটল করার মত নয়। এখন আপনি কি করবেন ? অনেকে হয়ত বলবেন Disk compress করবেন, Disk cleanup করবেন, অন্য ড্রাইভে প্রোগ্রাম ইন্সটল করবেন ইত্যাদি। যদি এইরকম হয় যে আপনাকে, আপনার কোন প্রোগ্রাম আনইন্সটল করতে হবে না এবং আপনার ঐ ড্রাইভের জন্য আপনি আরো নতুন করে আপনার ইচ্ছে মত জায়গা বরাদ্ধ দিতে পারবেন, তাহলে কেমন হবে। ভাল, বেশি ভাল নাকি অনেক ভাল হবে? আপনার উত্তর যাই হোক না কেন, দেখিয়ে দিই কিভাবে?

আমরা যে পদ্ধতিটা এইখানে ব্যবহার করব তাকে MOUNT বলে। এই MOUNT এর সাহায্যে আপনি C: ড্রাইভের সাথে আপনার Hard disk-এ থাকা অন্যান্য ড্রাইভের সাথে লিংক দিতে পারবেন।
উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে বলি। ধরুন আপনার Hard disk-এ ৪টি ড্রাইভ রয়েছে যথাক্রমে C, D, E এবং F. প্রতিটি ড্রাইভের জন্য বরাদ্ধ দেয়া আছে ২০ জিবি করে। আর আপনার Winodws রয়েছে C: তে। এখন আপনার C: ড্রাইভের জায়গা শেষ। এখন আমি এই C: ড্রাইভের জায়গা বাড়ানোর জন্য C: ড্রাইভের সাথে D: ড্রাইভের লিংক দিয়ে দিব যাতে করে আমি নতুন করে যে প্রোগ্রামগুলো ইন্সটল করব (যে প্রোগ্রামগুলো Windows ড্রাইভ ছাড়া অন্য ড্রাইভে ইন্সটল হয় না) তা যেন এই D: ড্রাইভে ইন্সটল হয়ে যায়।

মনে রাখবেন যতক্ষন আপনার Mount করা ড্রাইভের জায়গা খালি থাকবে ততক্ষন আপনি ঐ ড্রাইভ ব্যবহার করতে পারবেন,। শেষ হয়ে গেলে আপনার আগের করা Mount ড্রাইভের সাথে নতুন করে আরেকটি Mount ড্রাইভ করে দিন।

আসুন তাহলে প্রক্রিয়াটা দেখে নিই।

প্রথমে আপনি আপনার ডেস্কটপ থেকে My computer এর উপর Right mouse ক্লিক করুন। এরপর এইখান থেকে Manage-এ ক্লিক করুন। একটি নতুন উইন্ডো আসবে।এইখান থেকে Disk Management -এ যান। এরপর আপনি আপনার যে ড্রাইভের জন্য Mount options ব্যবহার করবেন তার উপর Right Mouse ক্লিক করুন। নিচের ছবিটি দেখুন

খুব সহজে তৈরি করুন PASSWORD PROTECTED PEN DRIVE/CD

টিউন করেছেন : Anisur Rahman

আমরা কম বেশি সবাই চাই যে, আমাদের important data গুলো পেন ড্রাইভ অথবা সিডি-তে সেভ থাকুক যাতে করে অন্যরা এদের অপব্যবহার না করে। আর এই জন্য আমারা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করে থাকি বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার। কিন্তু আমি আজ যে সফটওয়্যার-এর সন্ধান দিচ্ছি তা হল এটি দিয়ে খুব সহজে আপনি PASSWORD PROTECTED PEN DRIVE/CD তৈরি করতে পারবেন। এবং এটির ব্যবহার খুব সহজ কিন্তু আপনাকে ৯৯.৯৯% কাজ দিবে আপনার important data গুলোকে Password protected করতে। আর দেরি না করে দেখিয়ে দিই কিভাবে ?

  • প্রথমে এই সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন ফ্রিতে। (3.49 MB)
  • ডাউনলোড শেষে এটিকে ইন্সটল করে ওপেন করুন। নিচের মত একটি ছবি আসবে
  • এখন এইখান থেকে “New volume” -এ ক্লিক করুন এবং ধাপে ধাপে এগিয়ে এই Wizard টি শেষ করুন
  • এখন Safehouse explorer থেকে আপনার তৈরি করা “New Volume” টি অপেন করুন। দেখবেন যে এখন আপনাকে PASSWORD দিতে বলবে।
  • এইতো গেল Volume তৈরি করার কাজ। এখন আপনাকে একে পেন ড্রাইভে অথবা সিডিতে নিতে হবে।
  • এই কাজটি করার জন্য আপনি Safehouse explore থেকে Tools >Copy file to memory stick অপশনে যান এবং “Copy programs file” সিলেক্ট করে আপনার HDD-এ সেভ করুন।
  • এখন আপনার সেভ করা Safehouse explore.exe এবং আগের তৈরি করা “New volume“ সহ আপনার পেন ড্রাইভে কপি করে নিন অথবা সিডিতে Burn করে নিন।

(বিঃদ্রঃ পেন ড্রাইভ অথবা সিডি থেকে প্রথমে SafeHouseExplorer.exe রান করিয়ে এরপর আপনার তৈরি করা “New Volume”টি SafeHouseExplorer.exe দিয়ে অপেন করতে হবে )

আরও বিস্তারিত দেখুন এইখানে

এখন এইখান থেকে “Change Drive Letter and Paths” এর উপর ক্লিক করে “Add” -এ ক্লিক করুন এবং Browse করে আপনার ঐ ড্রাইভটি দেখিয়ে দিন। (আপনি সরাসরি কোন ড্রাইভ ব্যবহার করতে পারবেন না, আপনাকে ঐ ড্রাইভের একটি ফোল্ডার দেখিয়ে দিতে হবে) নিচের ছবটি দেখুন

এরপর OK করে বের হয় আসুন।

ফলাফল দেখুন ।

Mount করার আগে ফোল্ডারের অবস্থা

Mount করার পর ফোল্ডারের অবস্থা

এই Mount করা ড্রাইভের মধ্যে ঢুকলে আপনি দেখবেন যে, আপনি যে ড্রাইভের সাথে এর Mount করেছেন তার ফাইলগুলো এইখানে কপি হয়ে গেছে। চিন্তার কোন কারণ নেই, এই ফাইলগুলো নতুন করে কোন জায়গা নিবে না।

আরো বিস্তারিত ছবিসহ এইখানে

আপনাদের কম্পিউটার বিষয়ে যে কোন সমস্যা আমাকে জানাতে পারেন এইখানে

Hello world!

Welcome to WordPress.com. After you read this, you should delete and write your own post, with a new title above. Or hit Add New on the left (of the admin dashboard) to start a fresh post.

Here are some suggestions for your first post.

  1. You can find new ideas for what to blog about by reading the Daily Post.
  2. Add PressThis to your browser. It creates a new blog post for you about any interesting  page you read on the web.
  3. Make some changes to this page, and then hit preview on the right. You can always preview any post or edit it before you share it to the world.